Let’s walk hand in hand
(Trust Registration No: IV – 160400379 / 2025 , 80G , 12A , NITI AYOG Certified)
Mission
Our mission is to create a ‘culture which in turn builds the nation’.
Let me introduce myself.
Refereence: Dr. Scott Therston, Lecturerin English and Creative writing, University of Salford, Manchester, United Kingdom
Reference: Pampa Kumar, Joint Commissioner, Income Tax
Need of the culture briefely explained in Calcutta Book Fair
Transcription
আমরা যখন রান্না করি, তখন প্রথমেই একটি কড়াই উনুনে বা ওভেনে বসাই। তারপর তাতে তেল দিই, মশলা দিই, সবজি দিই—এইভাবে ধাপে ধাপে রান্না সম্পন্ন করি। কিন্তু যদি সেই কড়াইটাই খারাপ হয় বা ফাটা থাকে, তাহলে কি আমরা ঠিকমতো রান্না করতে পারব? নিশ্চয়ই না। কারণ কড়াই-ই হলো সেই মূল উপাদান, যা সবকিছুকে ধারণ করে রাখে।
ঠিক তেমনভাবেই আমাদের সমাজে এই “কড়াই”-এর ভূমিকা পালন করে সংস্কৃতি বা কালচার। সংস্কৃতিই আমাদের সমাজের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষাগত কাঠামোকে ধারণ করে রাখে। যদি এই সংস্কৃতি দুর্বল বা বিকৃত হয়, তাহলে সমাজের কোনো ক্ষেত্রেই ভারসাম্য বজায় থাকবে না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমরা যদি প্রতিটি কাজে একে অপরকে ‘ভিকটিম’ হিসেবে দেখি, তাহলে কোনো কাজই সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। মানুষের সঙ্গে মানুষের সুসম্পর্ক, পারস্পরিক সম্মান, সহানুভূতি এবং আন্তরিকতা—এসবই সমাজকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে অত্যন্ত জরুরি। শুধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতি হলেই সবকিছু পূর্ণতা পায় না; মানুষের চিন্তাধারা এবং মানবিক মূল্যবোধও সমানভাবে প্রয়োজন।
আরও একটি বড় বিষয় হলো বই পড়া। বইয়ের মাধ্যমে আমরা অজানা অনেক তথ্য জানতে পারি এবং কোনো বিষয় সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করতে পারি। বর্তমান যুগে প্রযুক্তি ও সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে আমরা অনেক কিছুই জানতে পারি, কিন্তু একটি বিষয়কে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই বই এবং প্রযুক্তি—দুটিই একে অপরের পরিপূরক। একটিকে ছাড়া অন্যটি পূর্ণতা পায় না।
এই দুইয়ের সমন্বয়েই নতুন ও সৃজনশীল জ্ঞান তৈরি করা সম্ভব। আর সেই কারণেই বইমেলার গুরুত্ব আমাদের জীবনে অত্যন্ত গভীর ও অপরিহার্য।
Need of the Mother Language briefely explained in IPPL in ICCR, Calcutta
Transcription
বর্তমান সময়ে আমরা প্রায়ই একটি কথা শুনে থাকি—“বাংলা পড়ে কী হবে?” কিংবা “বাংলা মিডিয়ামে পড়ে কি কোনো ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব?”—এই ধরনের কথাবার্তা আসলে সম্পূর্ণ অজ্ঞতা ও সংকীর্ণ চিন্তাধারার পরিচয় দেয়। কারণ মাতৃভাষার গুরুত্ব যে কতটা গভীর, তা অনুধাবন করতে না পারাই এই ধরনের ধারণার মূল কারণ।
মাতৃভাষা এমন একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষ তার মনের ভাব সবচেয়ে সহজ, স্বতঃস্ফূর্ত এবং গভীরভাবে প্রকাশ করতে পারে। এই পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণী—পশু, পাখি বা অন্যান্য জীব—তাদের চাহিদা, অনুভূতি ও সংকেত নিজেদের স্বাভাবিক ভাষাতেই প্রকাশ করে। ঠিক তেমনি, আমরা মানুষও আমাদের আনন্দ, দুঃখ, ভালোবাসা কিংবা যেকোনো অনুভূতি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে প্রকাশ করতে পারি আমাদের মাতৃভাষায়।
বাংলা ভাষা শুধু একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভাষার মধ্যেই লুকিয়ে আছে আমাদের ইতিহাস, আমাদের আবেগ এবং আমাদের অস্তিত্বের শিকড়। তাই বাংলা ভাষাকে অবহেলা করা মানে নিজের পরিচয়কেই অস্বীকার করা।
বর্তমান যুগে অবশ্যই অন্যান্য ভাষা শেখা জরুরি, বিশেষ করে বিশ্বায়নের কারণে ইংরেজির মতো ভাষার গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। কিন্তু তাই বলে মাতৃভাষাকে অবহেলা করা কখনোই উচিত নয়। বরং মাতৃভাষার উপর দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেই অন্য ভাষা শেখা আরও সহজ ও কার্যকর হয়।
সুতরাং, আমাদের উচিত বাংলা ভাষাকে সম্মান করা, চর্চা করা এবং তার মর্যাদা অটুট রাখা। কারণ মাতৃভাষাই আমাদের চিন্তা, চেতনা ও অনুভূতির সবচেয়ে গভীর এবং নির্ভরযোগ্য আশ্রয়।
Participation in different activities
Elmherst Memorial Lecture on June 06, 2009
Popular Science Lecture in Bardhaman Science Centre,West Bengal, India
Presentation of Research Paper on ‘Sanskrit and its impact upon Indian Languages in Asiatic Society, Kolkata India.